মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়তে প্রধানমন্ত্রীর ৫ শতাংশ জিডিপি বরাদ্দের ঘোষণা! বিস্তারিত জানুন।

 


মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন: প্রধানমন্ত্রীর নতুন মহাপরিকল্পনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে এক বিশেষ বার্তায় একটি মানবিক ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র মানসম্মত চিকিৎসা এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এই রূপকল্প বাস্তবায়নে দেশের স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার সাহসী ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে বড় মাইলফলক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ধাপে ধাপে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী বা হেলথ কেয়ারার নিয়োগ করা হবে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই হবেন নারী। প্রতিটি নাগরিকের জন্য চালু করা হবে ‘ই-হেলথ কার্ড’, যা চিকিৎসা ইতিহাস সংরক্ষণে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখবে। এছাড়া চিকিৎসা ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে স্বাস্থ্যবিমা চালু, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

তারেক রহমান ‘এক স্বাস্থ্য’ (One Health) ধারণার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বলেন, মানুষ, পশুপাখি ও পরিবেশের সুস্থতা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। তাই টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষি ও পরিবেশবিজ্ঞানের সমন্বিত গবেষণায় জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাকে আরও নির্ভুল ও সাশ্রয়ী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিশ্বাস করে, স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া বা সুযোগ নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার। ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’—এই নীতিতে একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

Post a Comment

Previous Post Next Post