কৃষকদের ভাগ্য বদলে আসছে 'কৃষক কার্ড': মিলবে সরাসরি ঋণ ও ন্যায্য মূল্য!

 


কৃষিতে আধুনিক বিপ্লব: কৃষক কার্ডের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হবে দেশের কৃষকরা


টাঙ্গাইলে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, কৃষিকে একটি আধুনিক ও সম্মানের পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সময়ের মূল লক্ষ্য। তারেক রহমানের পরিকল্পিত এই বিশেষ কার্ড কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

কৃষক কার্ডের মূল সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ:

  • সহজ ঋণ ও স্বচ্ছতা: এই কার্ডে কৃষকের জমির পরিমাণ ও ধরণ সংরক্ষিত থাকবে। এর ফলে ব্যাংক থেকে সরাসরি ঋণ নেওয়া সহজ হবে এবং ভুয়া ঋণের মাধ্যমে জালিয়াতি বন্ধ হবে।

  • হয়রানি থেকে মুক্তি: সার, উন্নত মানের বীজ ও কৃষি ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে কৃষকদের আর কোনো ভোগান্তি বা ঝামেলার শিকার হতে হবে না।

  • মধ্যস্বত্বভোগী নির্মূল: বাজারে ফড়িয়া বা ‘মিডল ম্যান’দের দৌরাত্ম্য কমাতে এই কার্ড ঢাল হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের, বিশেষ করে গমের ন্যায্য মূল্য সরাসরি পাবেন।

  • সরাসরি ফসল ক্রয়: এখন থেকে কৃষি বিভাগ কৃষকের উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ফসল সরাসরি কিনতে বাধ্য থাকবে। ফলে কৃষক ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হবে না এবং সরাসরি লাভবান হবে।

দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এই বিশাল জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলে পুরো দেশ শক্তিশালী হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সার ভর্তুকি ও ঋণ মওকুফ প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় এই ‘কৃষক কার্ড’ বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক নতুন যুগান্তকারী অধ্যায় সূচনা করবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post