জরুরি ভিত্তিতে ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন: জ্বালানি সংকটে বড় স্বস্তি

 


জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও ৩ লাখ টন ডিজেল আমদানির সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। জরুরি ভিত্তিতে আরও ৩ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা থেকে দেশের বাজার ও সরবরাহ ব্যবস্থা সুরক্ষিত রাখতেই এই ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে তিনটি পৃথক প্রস্তাবের মাধ্যমে এই আমদানির পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হলে কমিটি তা অনুমোদন করে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৪ এপ্রিল সরকারি ছুটির দিনেও জরুরি ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। দফায় দফায় এই আমদানির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের কৃষি, পরিবহন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে জ্বালানির সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং যেকোনো সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলা করা।

জ্বালানি খাতের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এসেছে এই বৈঠকে। সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় সারা দেশে নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিতেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম আরও সুসংহত হবে। মূলত যুদ্ধকালীন বৈশ্বিক অস্থিরতা মাথায় রেখে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই মুহূর্তে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

Post a Comment

Previous Post Next Post