আসিফ নজরুল ও তার পিএসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ: অনুসন্ধানে নামছে দুদক
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব (পিএস) শামসুদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবীর করা এই অভিযোগটি ইতিমধ্যে দুদক গ্রহণ করেছে। অভিযোগকারী আইনজীবী বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে এই অনুসন্ধানের অনুরোধ জানান।
অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আইন মন্ত্রণালয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি নিয়ে বড় ধরনের অনিয়ম। দাবি করা হয়েছে, আসিফ নজরুলের দায়িত্ব পালনকালে মাত্র আট মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি বাণিজ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি ঘুষের জন্য প্রতিশ্রুত টাকা পরিশোধ না করায় বদলি আদেশ স্থগিত করে দেওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ায় আসিফ নজরুলের তৎকালীন পিএস শামসুদ্দিন মাসুম (যিনি বর্তমানে একজন জেলা জজ) মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
বদলি বাণিজ্য ছাড়াও ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন অনৈতিক নির্দেশের মাধ্যমে তারা উভয়ই দুর্নীতির সাথে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ নজরুল ও শামসুদ্দিন মাসুমের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস এবং অবৈধ লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুদককে আহ্বান জানানো হয়েছে।