সংসদ গ্যালারিতে শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আবেগঘন সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যায় অধিবেশনের বিরতির সময় তিনি দর্শক গ্যালারির ‘মেঘনা হলে’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার এবং আহত ব্যক্তিদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেন।
সাধারণত রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের কঠোর নিয়ম থাকলেও, প্রধানমন্ত্রী সব আনুষ্ঠানিকতা ভেঙে একেবারে সাধারণ মানুষের মতো তাঁদের কাছে গিয়ে দাঁড়ান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৬০ জন মানুষ, যাদের মধ্যে ২৬ জন ছিলেন শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বাকিরা আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়ে আহত হওয়া যোদ্ধা।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকের কথা অত্যন্ত মনোযোগ ও সহমর্মিতার সঙ্গে শোনেন। অনেক স্বজন তাঁদের প্রিয়জন হারানোর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন। তিনি আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার কথা শোনেন। ব্যস্ত রাষ্ট্রীয় সূচির মাঝেও কোনো দূরত্ব না রেখে তিনি যেভাবে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনেছেন, তা এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।
এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে ঘোষণা দেন যে, বর্তমান সরকার সব সময় জুলাই যোদ্ধাদের পাশে থাকবে। রাষ্ট্র পরিচালনা শুধু নীতিনির্ধারণী কাজ নয়, বরং জনগণের দুঃখ-সুখে পাশে দাঁড়ানোই যে সরকারের আসল শক্তি—প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই আচরণের মাধ্যমে সেই বার্তাই পৌঁছে দিয়েছেন।