গুম কমিশনের ফাঁকফোকর বন্ধে নতুন উদ্যোগ: অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনায় বসছে সরকার

 


গুম ও মানবাধিকার কমিশনসহ ৭টি গুরুত্বপূর্ণ আইন সংস্কারে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং বিচারক নিয়োগ আইনসহ মোট সাতটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অংশীজনদের (Stakeholders) সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব বিষয় অধিকতর যাচাই-বাছাই করে আরও কার্যকর আইন প্রণয়ন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

গুম কমিশন অধ্যাদেশ নিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আগের খসড়ায় কিছু আইনি সীমাবদ্ধতা বা ‘ফাঁকফোকর’ ছিল। বিশেষ করে গুমের সংজ্ঞা বা ঘটনা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ায় জটিলতা থাকায় তদন্তে দীর্ঘ সময় লাগার আশঙ্কা ছিল। ফলে ভুক্তভোগীদের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এসব ত্রুটি সংশোধন করে গুম কমিশন নিয়ে একটি শক্তিশালী ও যুগোপযোগী নতুন আইন তৈরি করা হবে।

একইভাবে, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের তদন্ত ও জরিমানা সংক্রান্ত ধারার অস্পষ্টতা ও দ্বন্দ্বগুলো দূর করার প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ১৫ মে’র পর সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।

আইনমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, কোনো অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়নি, বরং সেগুলোকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার কাজ চলছে। যারা এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তারা সঠিক তথ্য দিচ্ছেন না। সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতেই এসব অধ্যাদেশকে চূড়ান্ত আইনে রূপ দেওয়া হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post