বিএনপিকে কড়া হুঁশিয়ারি: সংস্কার এড়িয়ে ফ্যাসিবাদ কায়েম করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ
গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাতে বসেছে। সংবিধান সংস্কার এবং এসব অধ্যাদেশ রক্ষা করার দাবিতে প্রথমবারের মতো রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করেছে ১১ দলীয় জোট। শনিবার বিকেলে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশে জোটের নেতারা বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সুকৌশলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে এবং গণভোটকে অবজ্ঞা করে জাতিকে অপমান করেছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, যদি সংস্কার এড়িয়ে পুনরায় ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা করা হয়, তবে বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের মতো ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে। এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতা একক ব্যক্তির হাতে রাখতে চায় বলেই গণভোট এড়িয়ে যেতে চাইছে। একইসঙ্গে মাওলানা মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বিএনপি এখন সুবিধাবাদের রাজনীতি করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, জনগণের রায়কে যদি অবজ্ঞা করা হয়, তবে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে রাজপথে এর সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে হাজারো নেতাকর্মী এক বিশাল মিছিলে অংশ নেন। মিছিলটি পল্টন মোড় হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। জোটের নেতাদের মূল দাবি হলো, অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো দ্রুত আইনে পরিণত করা এবং ক্ষমতার পূর্ণ বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করা। সংস্কারহীন রাষ্ট্র পরিচালনার যেকোনো প্রচেষ্টাকে রাজপথেই প্রতিহত করার ঘোষণা দেন তারা।